চট্টগ্রামে শাশুড়ির একটি চেক কৌশলে চুরি করে তাতে ১০ লাখ টাকা বসিয়ে সই জাল করার অভিযোগ উঠেছে জামাতার বিরুদ্ধে। পরে সেই চেক দিয়ে টাকা তুলতে ব্যর্থ হয়ে উল্টো শাশুড়ির বিরুদ্ধে চেক প্রত্যাখ্যানের মামলা করেন তিনি। তবে আদালতে তাঁর জালিয়াতি ধরা পড়ে। আদালত শাশুড়িকে খালাস দিয়ে জামাতার বিরুদ্ধে চেক চুরি ও জালিয়াতির অভিযোগে মামলা করার নির্দেশ দিয়েছেন।
আজ বুধবার প্রথম যুগ্ম চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ শহীদুল্লাহ কায়সার এ রায় দেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী মোশাররফ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, আদালত শাশুড়ি জাহেদা বেগমকে চেক প্রত্যাখ্যানের মামলা থেকে খালাস দিয়েছেন। একই সঙ্গে তাঁকে ফাঁসাতে চেক চুরি করে জালিয়াতির মাধ্যমে ১০ লাখ টাকা আদায়ের চেষ্টার অভিযোগে জামাতা হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে মামলা করার নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, মিরসরাইয়ের জাহেদা বেগমের জামাতা হারুন অর রশিদ কৌশলে শাশুড়ির কাছ থেকে একটি চেক চুরি করেন। পরে ওই চেকে শাশুড়ির সই জাল করে টাকার অঙ্ক ১০ লাখ টাকা বসান।
বিষয়টি জানতে পেরে জাহেদা বেগম ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে আগে থেকেই অবহিত করেন। এরপরও তাঁর জামাতা চেকের টাকা আদায়ের জন্য চাপ দিতে থাকেন। একপর্যায়ে ২০২০ সালের আগস্টে তিনি শাশুড়ির বিরুদ্ধে চেক প্রত্যাখ্যানের অভিযোগে আদালতে নালিশি মামলা করেন।
আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) নির্দেশ দেন। তদন্ত শেষে সিআইডি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, চেকে জাহেদা বেগমের সই জাল করা হয়েছে। সিআইডির প্রতিবেদন ও তিনজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত জাহেদা বেগমকে খালাস দেন এবং হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
No comments:
Post a Comment
Thank you for your response